ইচ্ছে করেই ৪ রান না দেবার কারন কি? বিশ্বমঞ্চে বারবার আম্পায়ারিং সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশ, কেন নীরব আইসিসি?
খেলাটা হবার কথা ছিলো এগারো জনে বিপক্ষে, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে ম্যাচে যা ঘটলো তা সত্যিই লজ্জার এবং হতাশার। একের পর এক হঠকারী সিদ্ধান্তে শান্তর দলের বিপক্ষে ছক কেটেছে খোদ আম্পায়ার। এক রান এতটাই গুরুত্ত্বপূর্ণ যেখানে নিশ্চিত এক বাউন্ডারি থেকে বঞ্চিত করেছে টাইগারদের। তবে কেন বিশ্বমঞ্চে শুধু আম্পায়ারের বিরুদ্ধে এসব সিদ্ধান্তে কি লাভ হচ্ছে আইসিসির, তা জানায় রিপোর্ট।
প্রথমেই বলবো, ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা ছিলো দুর্দান্ত ফর্মে। তারা ব্যাটিং এবং বোলিং দুটোতেই অসাধারণ পারফর্মেন্স করছিল। তবে একের পর এক বিতর্কিত আম্পায়ারিং সিদ্ধান্তে ম্যাচের মেজাজই পাল্টে গেল। প্রতিটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তে টাইগাররা যেমন হতাশ হল, তেমনই তাদের সমর্থকরা রেগে গেল।
আম্পায়ারের অদ্ভুত এক সিদ্ধান্তে ম্যাচ হারতে হলো বাংলাদেশকে। ব্যাট-বলে লড়াই যেমনই হোক না কেন, ম্যাচের ফলাফল ঘুরিয়েছে আম্পায়ার। এক সিদ্ধান্তে ম্যাচের হার এতটাই বিপর্যয়কর হলো যে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এমন এক পরিস্থিতিতে, যখন পুরো দেশই চেয়ে ছিল জয়ের দিকে, তখন এই ধরনের সিদ্ধান্তগুলি সত্যিই হৃদয়বিদারক।
এক মুহূর্ত দেরি না করে সাথে সাথে রিভিউর আবেদন করেন। পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য থার্ড আম্পায়ার ফুটেজ দেখা শুরু করেন। চোখ কপালে ওঠার মত অবস্থা সবার। কারণ লেগ সাইডের এতটা বাইরে যাওয়া বল আউটের সিদ্ধান্ত দেওয়া হল কিভাবে, সেটাই বুঝতে পারছিলেন না কেউই। এত বড়ো একটি ম্যাচে এমন সিদ্ধান্ত কিভাবে নেওয়া হয়, তা নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে।
স্পষ্টই রিভিউতে ধরা পড়ে আম্পায়ারের কারসাজি। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, আইসিসি এই ধরনের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেবে কিনা। কারণ, শুধুমাত্র একটি দল বা একজন খেলোয়াড়ের জন্য নয়, পুরো ক্রিকেট প্রেমীদের জন্যই এটি অত্যন্ত হতাশাজনক।
এমনিতে, বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা প্রচণ্ড পরিশ্রম করে ম্যাচ জেতার জন্য চেষ্টা করছিল। তবে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তে তাদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল। এমনকি, শেষ মুহূর্তে একটি নিশ্চিত বাউন্ডারি থেকে বঞ্চিত করা হলো, যা পুরো ম্যাচের গতিপথই পাল্টে দিল।
সব মিলিয়ে, ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ হারলেও, তাদের লড়াই এবং প্রচেষ্টা ছিল নজরকাড়া। তবে এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলি ক্রিকেটের সৌন্দর্যকে নষ্ট করে। আশা করি, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে এবং খেলোয়াড়রা তাদের সেরা পারফর্মেন্স প্রদর্শনের সুযোগ পাবে।
Comments
Post a Comment